দেবেন্দ্রমোহন বসুর দেখানো পথে নোবেল পেলেন ইংরেজ পদার্থবিদ সিসিল পাওয়েল,বঞ্চিত হলেন দেবেন্দ্রমোহন

দেবেন্দ্রমোহন বসুর দেখানো পথে নোবেল পেলেন ইংরেজ পদার্থবিদ সিসিল পাওয়েল,বঞ্চিত হলেন দেবেন্দ্রমোহন

১৯৩৮ সাল | একটি সায়েন্স কনফারেন্সে গিয়ে জার্মান নিউক্লিয়ার পদার্থবিজ্ঞানী ওয়ালথার বোথের সঙ্গে আলাপ হল বিজ্ঞানী দেবেন্দ্রমোহন বসুর | সেই সময় ফটোগ্রাফিক প্লেটের ওপর কসমিক রে বা মহাজাগতিক রশ্মির প্রভাব নিয়ে গবেষণা করছিলেন ওয়ালথার বোথের (১৯৫৪ সালে বোথে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন) | সেই বিষয়ে দেবেন্দ্রমোহন বসুর সঙ্গে কথা হয় ওয়ালথার বোথের | বিষয়টা নিয়ে আগ্রহ জাগে দেবেন্দ্রমোহন বসুর | তিনি এবং বিজ্ঞানী বিভা চৌধুরি এই বিষয়ে গবেষণা করতে দার্জিলিং যান | ১৯৩৯ থেকে ১৯৪২ দীর্ঘ তিন বছর বিভিন্ন সময়ে গবেষণা করেন তারা | দার্জিলিং এর পাহাড়ে গিয়ে ইলফোর্ড হাফ-টোন ফটোগ্রাফিক প্লেটের ওপর দিনের পর দিন সূর্যালোকের বিচ্ছুরণ ঘটান এবং প্লেটের ওপর লম্বা বক্রাকার আয়নিত গতিপথ দেখতে পান | তারা বুঝতে পারেন এগুলো প্রোটনের ট্র্যাক বা আলফা কণিকার ট্র্যাক থেকে ভিন্ন, এটা সম্ভবত ‘মেসোট্রন’ এর গতিপথ কিন্তু সেই মুহূর্তে তাদের কাছে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছিল না | তাদের এই পরীক্ষার ফলাফলে শোরগোল পড়ে যায় বিজ্ঞান মহলে | বিখ্যাত ‘নেচার’ পত্রিকায় প্রকাশিত হতে থাকে ফলাফল |

 

ইংরেজ পদার্থবিদ সিসিল পাওয়েল

 

১৯৩৫ সালে জাপানী পদার্থবিজ্ঞানী হাইডেকি ইউকাওয়া তত্ত্বীয় ভাবে প্রমাণ করেছেন যে নিউক্লিয়ার বলের আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে কিছু নতুন ধরনের কণা বিনিময় হয় | সেগুলোকে তিনি নাম দিয়েছেন এক্সচেঞ্জ পার্টিক্যাল (বিনিময়-কণা)। এই কণাগুলোর ভর ইলেকট্রনের ভরের চেয়ে সামান্য বেশি – কিন্তু প্রোটনের ভরের চেয়ে অনেক কম। ইউকাওয়া হিসেব করে দেখিয়েছেন যে এ ধরনের কণার ভর হবে ইলেকট্রনের ভরের ২৭০ গুণ এদের ভর ইলেকট্রনের ভর ও প্রোটনের ভরের মাঝামাঝি বলে এদের নাম দেয়া হয় ‘মেসোট্রন’ – গ্রিক ভাষায় যার অর্থ ‘মধ্যবর্তী’। ‘মেসোট্রন’ থেকে আরো সংক্ষিপ্ত হয়ে এদের নাম হয় ‘মেসন’। ততদিনে প্রফেসর কার্ল এন্ডারসন ইলেকট্রনের ভরের সমান ভর ও ধনাত্মক চার্জ বিশিষ্ট পজিট্রন আবিষ্কার করেছেন। একই বছর তিনি আরেক ধরনের অব-পারমাণবিক কণা আবিষ্কার করে ভেবেছিলেন সেগুলো ইউকাওয়ার মেসন। কিন্তু দেখা গেল এন্ডারসনের কণাগুলোর ভর ইলেকট্রনের ভরের ২০৭ গুণ। ইউকাওয়ার মেসনের ভর ইলেকট্রনের ২৭০ গুণ। এন্ডারসন তার কণাগুলোর নাম দিলেন ‘মিউ-মেসন’ বা সংক্ষেপে ‘মিউয়ন’।

দেবেন্দ্রমোহন বসু ও বিভা চৌধুরি আরও পরীক্ষা করার জন্যে ফটোগ্রাফিক প্লেটগুলোকে এক নাগাড়ে ২০২ দিন সূর্যালোকে রেখে দিলেন কিন্তু উচ্চ-শক্তির প্রোটন কণার গতিপথ দেখলেন না | তাদের পরীক্ষা থেকে প্রাপ্ত কণাগুলির ভর হিসেব করে দেখলেন ইলেকট্রনের ভরের ১৬০ গুণ | তারা বুঝলেন কোথাও ভুল হচ্ছে | বিশ্লেষণ করে দেখলেন তাদের ব্যবহৃত ফটোগ্রাফিক প্লেট ‘হাফ-টোন’ | কিন্তু সেই সময় ভারতে ‘ফুল-টোন’ প্লেট পাওয়া অসম্ভব | তবুও হাল ছাড়লেন না দুজনে | ‘হাফ-টোন’ ফটোগ্রাফিক প্লেট দিয়েই আবার পরীক্ষা করলেন | এবার কণাগুলোর ভর পাওয়া গেল ইলেকট্রনের ভরের ১৮৬ গুণ | দুজনেই বুঝতে পারলেন উন্নতমানের আরও স্পর্শকাতর ফটোগ্রাফিক প্লেট ছাড়া তাদের পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়া অর্থহীন | অর্থ এবং পরিকাঠামোর কাছে হার মানলেন দুজনে | ১৯৪৫ সালে বিভা চৌধুরি ইংল্যান্ডে চলে যান প্যাট্রিক ব্ল্যাকেটের সাথে কাজ করার জন্য | বন্ধ হয়ে যায় গবেষণা |

আরো পড়ুন:  তিন দশকের পরিকল্পনায় তৈরি হয়েছিল হাওড়া ব্রিজ,ব্রিজ গড়তে টাটা স্টিল জোগান দিয়েছিল ২৬ হাজার ৫০০ টন ইস্পাত

 

বিজ্ঞানী বিভা চৌধুরি

 

ইংরেজ পদার্থবিদ সিসিল পাওয়েল দেবেন্দ্রমোহনের পদ্ধতি অনুসরণ করে বলিভিয়ায় গিয়ে পরীক্ষা শুরু করলেন | সরকারের থেকে পেলেন অর্থসাহায্য, সমস্ত আধুনিক সুযোগসুবিধা | পরীক্ষার ফলাফল হিসেব করে দেখলেন নতুন কণিকার ভর হয়েছে ইলেকট্রনের ভরের ২৭৩ গুণ | ইউকাওয়ার মেসনের ভরের সাথে প্রায় হুবহু মিলে গেছে পাওয়েলের ফলাফল। ১৯৫০ সালে নোবেল পেলেন ইংরেজ পদার্থবিদ সিসিল পাওয়েল |

১৮৮৫ সালে ২৬ নভেম্বর বর্তমান বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা থানার জয়সিদ্ধি গ্রামে দেবেন্দ্র মোহন বসুর জন্ম | পিতা মোহিনী মোহন বসু | প্রথম ভারতীয় রেংলার আনন্দ মোহন বসু ছিলেন তার আপন কাকা | বিজ্ঞানী আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসু ছিলেন তার নিজের মামা | বাড়িতে ছোট থেকেই ছিল পড়াশোনার পরিবেশ | দেবেন্দ্রমোহনের আনুষ্ঠানিক শিক্ষা শুরু হয়েছিল একটি ব্রাহ্ম বালিকা বিদ্যালয়ে | এরপর সিটি স্কুল থেকে এন্ট্রান্স পাশ করেন দেবেন্দ্রমোহন বসু | এইসময় তার পিতৃবিয়োগ হয় | এইসময় আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু তার পড়াশোনার দায়িত্ব নেন | দেবেন্দ্রমোহন বসু প্রেসিডেন্সি কলেজে ভর্তি হন | কিন্তু কিছুদিন পর জীবিকা অর্জনের তাগিদে ভর্তি হন শিবপুর বি ই কলেজে | কিছুদিন পর ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে বাড়ি ফিরে আসেন তিনি | এইসময় কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পরামর্শ দিলেন মামা জগদীশচন্দ্রের মত পদার্থবিজ্ঞান পড়তে | দেবেন্দ্রমোহন রাজি হলেন | আবার প্রেসিডেন্সিতে ভর্তি হলেন |প্রথম শ্রেণী সহ বিএসসি পাস করলেন। ১৯০৬ খ্রিষ্টাব্দে এমএসসি পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হলেন দেবেন্দ্রমোহন | জগদীশচন্দ্র বসু তখন বায়োফিজিক্স ও প্ল্যান্ট ফিজিওলজি নিয়ে গবেষণা করছেন। দেবেন্দ্রমোহন যোগ দিলেন জগদীশচন্দ্রের রিসার্চ গ্রুপে শিক্ষানবিশ গবেষক হিসেবে | ১৯০৭ খ্রিষ্টাব্দে দেবেন্দ্রমোহন ইংল্যান্ডে গিয়ে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রাইস্ট কলেজে ভর্তি হলেন। এখানে তিনি ক্যাভেনডিশ ল্যাবে স্যার জে জে থমসন ও চার্লস উইলসনের সাথে কাজ করার সুযোগ লাভ করলেন। ১৯০৮ থেকে ১৯১১ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত ক্যাভেন্ডিশ ল্যাবে কাজ করেছেন দেবেন্দ্রমোহন। ১৯১০ খ্রিষ্টাব্দে দেবেন্দ্রমোহন লন্ডনের রয়েল কলেজ অব সায়েন্সে ভর্তি হলেন। ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দে এখান থেকেই পাস করেন |

আরো পড়ুন:  বিজ্ঞানীর বেশে এক বিপ্লবী

কিন্তু বিদেশে থাকতে চাননি দেবেন্দ্রমোহন | ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতায় ফিরে এলেন | পড়াতেন সিটি কলেজে | ১৯১৪ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞান কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। দেবেন্দ্রমোহন নব-প্রতিষ্ঠিত সায়েন্স কলেজে পদার্থবিজ্ঞানের ‘রাসবিহারী ঘোষ প্রফেসর’ পদে যোগ দেন।১৯১৪ সালে আবার পড়াশোনা করতে বিদেশ যান | ভর্তি হলেন বার্লিনের হামবোল্ড ইউনিভার্সিটিতে | দু’বছর পড়াশোনা ও গবেষণা করলেন প্রফেসর এরিখ রিগনারের গবেষণাগারে। আলফা ও বিটা কণিকার গতিপথ শনাক্ত করার জন্যে তৈরী করলেন ক্লাউড চেম্বার |

হাইড্রোজেন গ্যাস দিয়ে ভর্তি করা হল সেই চেম্বারে। এরপর চেম্বারে পাঠানো হলো আলফা-কণার স্রোত। এই আলফা-কণা হাইড্রোজেন থেকে ইলেকট্রনকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিল। ঋণাত্বক চার্জের ইলেকট্রন হারিয়ে হাইড্রোজেন হয়ে পড়ল ধনাত্বক চার্জের প্রোটন। এই প্রোটনের গতিপথ শনাক্ত করতে সমর্থ হলেন দেবেন্দ্রমোহন। এখান ত্থেকে এরকম কণার মধ্যে সংঘর্ষের ফলে যে ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া হয় তার একটা হিসেব পাওয়া গেল। এই কাজ দিয়েই পি-এইচ-ডি থিসিস লিখে ফেললেন দেবেন্দ্রমোহন। প্রোটনের গতিপথ সনাক্তকরণের ওপর দেবেন্দ্রমোহন বসুর প্রথম বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ প্রকাশিত হয় ১৯১৬ সালে – জার্মানির Physikalische Zeitschrift পত্রিকায়। ১৯১৯ সালের মার্চ মাসে পিএইচডি সম্পন্ন করে ভারতে ফিরে আসেন দেবেন্দ্রমোহন। যোগ দিলেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে | ১৯৩৫ সালে সি ভি রমন ব্যাঙ্গালোরের ইনস্টিটিউট অব সায়েন্সের পরিচালক পদে যোগ দিলে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘পালিত প্রফেসর’র পদ খালি হয়। দেবেন্দ্রমোহন ‘ঘোষ প্রফেসর’ পদ ছেড়ে ‘পালিত প্রফেসর’ পদে যোগ দিলেন। তিন বছর ছিলেন তিনি এই পদে।

কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা নিয়েও গবেষণা করেছেন দেবেন্দ্রমোহন বসু | ১৯২৩ সালে দেবেন্দ্রমোহন তার গবেষক ছাত্র এস কে ঘোষকে সাথে নিয়ে ক্লাউড চেম্বারে কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে কাজ শুরু করলেন। হিলিয়াম গ্যাসের মধ্যে পোলোনিয়াম থেকে উৎসরিত আলফা কণার গতিপথ পর্যবেক্ষণ করেন এবং নিউক্লিয়াস ও ইলেকট্রনের গতিপথের ছবি তোলেন। ছবিতে ধরা পড়লো যে নাইট্রোজেন নিউক্লিয়াস বিয়োজিত হয়েছে। নেচার পত্রিকায় সেই ফলাফল প্রকাশিত হয় | আন্তর্জাতিক মহলে সাড়া পড়ে যায় |

আরো পড়ুন:  দেশের করোনা পরিস্থিতিতে গেমচেঞ্জার হতে চলেছে কোভিড টেস্ট কিট ‘ফেলুদা’

চৌম্বকত্বের গবেষণাতেও প্রচুর অবদান আছে দেবেন্দ্রমোহনের। গটিনগেন ইউনিভার্সিটির প্রফেসর হুন্ড পরমাণুর চৌম্বক ভ্রামক নির্ণয় করার একটি পদ্ধতি আবিষ্কার করেন । দেবেন্দ্রমোহন দেখলেন হুন্ডের পদ্ধতি বিরল মৃত্তিকা গ্রুপের ত্রিযোজী ও চতুর্যোজী মৌলের ক্ষেত্রে সঠিকভাবে কাজ করলেও আয়রন গ্রুপের কোন আয়নের ক্ষেত্রেই সঠিক ভাবে কাজ করে না।নতুন একটা পদ্ধতি আবিষ্কার করলেন দেবেন্দ্রমোহন যা হুন্ডের পদ্ধতির চেয়েও অনেক বেশি কার্যকর। ১৯২৭ সালে দেবেন্দ্রমোহনের এই গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে বিখ্যাত জার্মান সাময়িকী Zeitschrift fur Physik তে । সে বছর লাহোরে অনুষ্ঠিত ইন্ডিয়ান সায়েন্স কংগ্রেসে চৌম্বকত্বের সাম্প্রতিক গবেষণা বিষয়ে বক্তৃতা করেন দেবেন্দ্রমোহন। চৌম্বকত্বের গবেষণায় ভারতে অপ্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ওঠেন দেবেন্দ্রমোহন। ফলে বিখ্যাত ‘কোমো কনফারেন্স’ এ চৌম্বকত্বের ওপর বক্তৃতা দেওয়ার আমন্ত্রণ পান দেবেন্দ্রমোহন। তার বক্তৃতার বিষয় ছিল বিষয় ছিল – “On the magnetic moments of ions of the transitional group of elements”। জটিল যৌগের চৌম্বকধর্ম নিয়ে পরীক্ষা করার সময় (১৯২৯) স্টোনারের তত্ত্বে (E. C. Stoner) ত্রুটি দেখতে পেয়ে সংশোধন করেন তিনি। স্টোনারের সূত্র তার সংশোধনী সহ পরিণত হয় ‘বোস-স্টোনার’ তত্ত্বে |

১৯২৯ সালে নোবেল পুরস্কার মনোনয়ন কমিটি দেবেন্দ্রনাথ বসুর কাছ থেকে ১৯৩০ সালের পদার্থবিজ্ঞান, রসায়নে নোবেল পুরস্কারের জন্য যোগ্য ব্যক্তির মনোনয়ন আহ্বান করেন। দেবেন্দ্রনাথ পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কারের জন্য মেঘনাদ সাহার নাম প্রস্তাব করেছিলেন | জগদীশচন্দ্র বসুর মৃত্যুর পর কলকাতার বসু বিজ্ঞান মন্দিরের দায়িত্ব নেন দেবেন্দ্রমোহন বসু | ১৯৩৮ থেকে ১৯৬৭ পর্যন্ত তিনি বসু বিজ্ঞান মন্দিরের প্রধান ছিলেন |

ভারতে বিজ্ঞানের প্রসারে নিরলস কাজ করে গেছেন দেবেন্দ্রমোহন। ১৯৪৩ সালে প্ল্যানিং কমিশনের সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। ১৯৪৫ সালে নিউক্লিয়ার কেমিস্ট্রি বিশেষজ্ঞ হিসেবে এটমিক এনার্জি কমিশনের সদস্য নির্বাচিত হন।২৫ বছর ‘সায়েন্স এন্ড কালচার’ ম্যাগাজিনের সম্পাদক ছিলেন তিনি। প্রেসিডেন্ট ছিলেন ইন্ডিয়ান সায়েন্স নিউজ এসোসিয়েশনের। এশিয়াটিক সোসাইটির সভাপতি ছিলেন। সমরেন্দ্রনাথ সেন ও সুব্বারাপ্পার সাথে যৌথভাবে সম্পাদনা করেছেন ভারতবর্ষের বিজ্ঞানের ইতিহাস। ‘ইন্ডিয়ান জার্নাল অব হিস্ট্রি অব সায়েন্স’ সাময়িকীর প্রধান সম্পাদক ছিলেন দেবেন্দ্রমোহন। ১৯৭৫ সালের ২ জুন প্রয়াত হন দেবেন্দ্রমোহন বসু | দেবেন্দ্রমোহন বসুর কথা বাঙালি মনে রাখেনি….কিন্তু বিশ্বের বিজ্ঞানমহলে দেবেন্দ্রমোহন বসু আজও এক অতি চর্চিত নাম |

তথ্য : উইকিপিডিয়া

Avik mondal

Avik mondal

Related post

Leave a Reply

করোনাকে না করো

ভাইরাসের কবলে আজ সারা বিশ্ব,গৃহবন্দী বিশ্ববাসী।বন্ধ দ্বার খুলতে তাই নিজেদের সুরক্ষিত রাখুন,হাত ধুয়ে নেমে পড়ুন এই ভাইরাস দমনে।