বিজ্ঞানীর বেশে এক বিপ্লবী

বিজ্ঞানীর বেশে এক বিপ্লবী

সে অনেক পুরোনো দিনের কথা | প্রেসিডেন্সি কলেজে রসায়ন পড়াতেন এক অধ্যাপক | গায়ে আধময়লা ভাঁজপড়া কোট, সাদা পাঞ্জাবি আর ধুতি | প্রায়ই মাথার চুল থাকত উস্কোখুস্কো, চুলে চিরুনি পড়ত খুব কম | মুখে অবিন্যস্ত দাড়ি | কিন্তু ক্লাসের মধ্যে ঢুকলেই তিনি এক অন্য মানুষ | ছাত্র ছাত্রীরা কেউ তার কোনও ক্লাসে অনুপস্থিত থাকত না | ক্লাসে তিনি পড়াতেন বাংলায় | সহজ ভাষায় বুঝিয়ে দিতেন রসায়নের জটিল জটিল তত্ত্ব | সেই বিশ্লেষণে মুগ্ধ হতেন সকলে | বলতেন, ‘কুমোর যেমন কাদার ডেলাকে তার পচ্ছন্দমত আকার দিতে পারে হাইস্কুল থেকে সদ্য কলেজে আসা ছাত্র-ছাত্রীদের তেমনি সুন্দরভাবে গড়ে তোলা যায়।’ সেই অধ্যাপকের এক মুসলিম ছাত্র ছিলেন | কুদরত-ই খুদা। ১৯১৫ সালে কেমিস্ট্রিতে এম.এস.সি পরীক্ষায় সেই ছাত্র পেলেন প্রথম শ্রেণী | কট্টর হিন্দু শিক্ষকেরা এতে খুব অসন্তুষ্ট হল | তারা চাইলেন কিছুতেই কুদরত-ই খুদা প্রথম শ্রেণী না পায় | সেই কট্টর হিন্দু শিক্ষকেরা সেই অধ্যাপককে অনুরোধ করলেন কুদরত-ই খুদাকে প্রথম শ্রেণী না দেওয়ার জন্য। কিন্তু সেই অধ্যাপক তীব্র ধিক্কার জানিয়েছিলেন সেই কট্টর হিন্দু শিক্ষকদের সেই প্রস্তাবকে | প্রথম শ্রেণীতেই পাস করেন কুদরত-ই খুদা |

কে এই অধ্যাপক ?
ইংরেজদের কাছে তিনি ছিলেন বিজ্ঞানীর বেশে এক বিপ্লবী | বিভিন্ন সভায়, ক্লাসরুমে পড়ানোর সময় তিনি তুলে ধরতেন দেশপ্রেমের কথা, স্বাধীনতা আন্দোলনের কথা | সশস্ত্র বিপ্লবীদের অকাতরে টাকা দিয়ে গিয়েছেন অস্ত্র কেনার জন্যে | রাউলাট আইনের বিরোধিতায় কলকাতার টাউন হলে এক আলোচনায় বলেছিলেন, ‘দেশের জন্য প্রয়োজন হলে বিজ্ঞানীকে টেস্ট টিউব ছেড়ে গবেষণাগারের বাইরে আসতে হবে। বিজ্ঞানের গবেষণা অপেক্ষা করতে পারে, কিন্তু স্বরাজের জন্য সংগ্রাম অপেক্ষা করতে পারে না।’ এক ইংরেজ অফিসার বলেছিল, ‘স্যার পি.সি. রায়ের মতো লোক যদি আধ-ডজন থাকতেন, এতদিনে দেশ স্বাধীন হয়ে যেত।’ হ্যাঁ তিনি আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায় | বিজ্ঞানীদের বিজ্ঞানী | এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে গেলে দেখা যায় সেখানে তাকে উল্লেখ করা হয়েছে ‘ফাদার অফ ইন্ডিয়ান কেমিস্ট্রি’ হিসেবে। সাহিত্যিক হিসেবেও তিনি ছিলেন অনন্য | তাকে নিয়েই কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছিলেন, ‘…যেসব জন্ম-সাহিত্যিক গোলমালের মধ্যে ল্যাবরেটরির মধ্যে ঢুকে পড়ে, জাত খুইয়ে বৈজ্ঞানিকের হাটে হারিয়ে গিয়েছেন তাদের ফের জাতে তুলব। আমার এক একবার সন্দেহ হয় আপনিও বা সেই দলের একজন হবেন।’ ড: মেঘনাথ সাহা, হেমেন্দ্র কুমার সেন, বিমান বিহারী দে,জ্ঞানেন্দ্রনাথ রায়, জ্ঞানচন্দ্র ঘোষ, জ্ঞানেন্দ্র নাথ মুখোপদ্যায়, ড: কুদরত-ই-খুদা, প্রিয়দা ভন্জন রায়, রাজেন্দ্রলাল দে, ফজলুল হক, প্রফুল্ল কুমার বসু, বীরেশ চন্দ্র গুহ, অসীমা চ্যাটার্জী সকলেই ছিলেন আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের ছাত্র | বিপ্লবী বিনয় বসু খুব ভালোবাসতেন প্রফুল্লচন্দ্র রায় | তাকে তিনি চিনতেন ছোট থেকেই | ঢাকায় আসলে প্রফুল্লচন্দ্র রায় থাকতেন তার ছাত্র জ্ঞানচন্দ্র ঘোষের বাড়ি | সকালে বেড়াতে আসতেন টুলি ক্লাবে | সেখানে বিনয় ডন কসরত করত আর টেনিস খেলত | স্বাস্থ্যবান বিনয়কে দেখা হলেই আদর করে কিল ঘুষি মারতেন তিনি | অনেকেই জানেন না, লোম্যান হত্যার পর ব্রিটিশরা যখন বিনয়কে তন্ন তন্ন হয়ে খুঁজছে, প্রফুল্লচন্দ্র রায় বিনয়কে নিজের টাকায় বিদেশে পাঠিয়ে দিতে চেয়েছিলেন | যদি বিনয় সেই প্রস্তাবে রাজি হননি |

আরো পড়ুন:  একসময় পিৎজার দোকানে কাজ করেছেন,করোনা ভ্যাকসিন গবেষণায় আন্তর্জাতিক সম্মান লাভ বাঙালি বিজ্ঞানীর

প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের জন্ম ১৮৬১ সালের ২ অগস্ট অবিভক্ত বাংলাদেশের রাড়ুলি গ্রামে | পাশ থেকেই বয়ে চলেছে কপোতাক্ষ নদ | মা বাবা ভালোবেসে তাকে ডাকতেন ফুলু বলে | তার বাবা ছিলেন জমিদার হরিশচন্দ্র রায় | প্রকাণ্ড বাড়ি ছিল তাদের | সেই বাড়ি আজও আছে | বাড়িতে ছিল ১৭০ টি থাম, ৪৫ টি দরজা | প্রকান্ড এই বাড়ির পাশেই ছিল এক বিরাট বড় পুকুর | গোটা বাড়িতে অবাধ বিচরণ ছিল ফুলুর | ছোটবেলায় প্রচন্ড দুরন্ত ছিল সে | তার বাবার ছিল বিরাট এক লাইব্রেরি | সেখানে ছিল বহু দেশ বিদেশের বই | হরিশচন্দ্র রায় নারীশিক্ষার প্রয়োজনীয়তা বুঝে স্থাপন করেছিলেন এক স্কুল | রাড়ুলীর সেই ভূবন মোহিনী বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় আজও আছে | বয়স ১৭০ বছর | এর পাশাপাশি হরিশচন্দ্র রায় মৌলবী নিয়োগ করেছিলেন আরবি ও ফারসী ভাষা শেখা ও কোরান বোঝার জন্য। ফুলুর মা ভূবনমোহিনী দেবীর ছিল অগাধ জ্ঞান | তার কাছেই ছোটবেলায় পড়ত ফুলু | বইয়ের সামনে আসলেই দুরন্ত ফুলু হয়ে যেত একদম শান্ত | মন দিয়ে পড়াশোনা করত সে | এমনকি গোটা হ্যামলেট নাটকটি মুখস্ত বলে দিতে পারত সে | ১৮৭২ সালে রাড়ুলী গ্রাম ছেড়ে কলকাতা আসেন তিনি পড়াশোনা করতে | কিন্তু এই সময় রক্ত আমাশয় আক্রান্ত হন | ফিরে যান গ্রামের বাড়ি | প্রায় দুই বছর গ্রামের বাড়িতে ছিলেন তিনি | সেই সময় বাবার লাইব্রেরিতেই তার সময় কেটে যেত | তারপর আবার ফুলু ফিরে আসেন কলকাতায় | ভর্তি হন কেশব চন্দ্র সেনের অ্যালবার্ট স্কুলে | প্রবেশিকা পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে পাশ করেন | এরপর তিনি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত মেট্রোপলিটন কলেজে ভর্তি হন। ১৮৮১ খ্রিষ্টাব্দে সেখান থেকে কলেজ ফাইনাল তথা এফ এ পরীক্ষায় দ্বিতীয় বিভাগে পাশ করে তিনি প্রেসিডেন্সী কলেজে বি এ ক্লাসে ভর্তি হন। প্রেসিডেন্সী থেকে গিলক্রিস্ট বৃত্তি নিয়ে তিনি স্কটল্যান্ডের এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতে যান। এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি বি এসসি পাশ করেন | পরবর্তীকালে এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়েই গবেষণা শুরু করেন। তার সেই গবেষণার বিষয় ছিল কপার ম্যাগনেসিয়াম শ্রেণীর সম্মিলিত সংযুক্তি পর্যবেক্ষণ | দুই বছরের কঠোর সাধনায় তিনি এই গবেষণা সমাপ্ত করেন | তার এই গবেষণাপত্রটি শ্রেষ্ঠ মনোনীত হওয়ায় তাকে হোপ প্রাইজে ভূষিত করা হয়। কিন্তু বাংলা ছিল তার প্রাণ | ১৮৮৮ খ্রিষ্টাব্দে প্রফুল্লচন্দ্র রায় স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেন। প্রেসিডেন্সি কলেজে সহকারী অধ্যাপক রূপে যোগ দেন | অধ্যাপনা করেছিলেন ২৭ বছর | ১৮৯৫ খ্রিষ্টাব্দে তিনি মারকিউরাস নাইট্রাইট আবিষ্কার করেন যা বিশ্বব্যাপী আলোড়নের সৃষ্টি করে। সমগ্র জীবনে মোট ১২টি যৌগিক লবণ এবং ৫টি থায়োএস্টার আবিষ্কার করেন।

আরো পড়ুন:  বাঙালি বিজ্ঞানীর নামে মহাকাশে নক্ষত্রের নামকরণ,বাঙালি মনে রাখেনি বিভা চৌধুরীকে

বর্ণপ্রথা, অস্পৃশ্যতা, ধর্মীয় ভেদাভেদের তীব্র বিরোধী ছিলেন তিনি | কংগ্রেসের ফরিদপুর অধিবেশনে প্রফুল্লচন্দ্র রায় বলেছিলেন: “কুকুর বিড়াল আঁস্তাকুড় থেকে এসে ঘরের ভেতর প্রবেশ করলে আমাদের জাত যায় না, মনে কোনো নীচভাব জাগে না। অনুন্নত হিন্দুসমাজের তথাকথিত ছোট জাত শ্রেণীকে, মুসলমানকে চিরদিন অধম ঘৃণ্য মনে করে, পদদলিত, শোষণ, অত্যাচার করে এক ঘরে করে রেখে বাংলার সমগ্র সমাজ দেহটাকে সবদিক থেকে দুর্বল ও ঘূণ ধরবার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।” এক প্রবন্ধে তিনি লিখেছিলেন “এই ছোঁয়া-ছুঁয়ি আমাদের উন্নতির পথে এক মস্ত বাধা। আমাদের দেশের ব্রাহ্মণেরাই বেশি গোড়া। তারা যখন বিদেশীদের হাতে প্রস্তুত গোলাপজল, কেওড়া জল, লেমনেড, চকোলেট, ঔষধপত্র ইত্যাদি পান করে, খায়, তখন তাদের জাতবিচার থাকে না। কিন্তু যদি নমশূদ্র বা মুসলমান ঘরের চৌকাঠে দাঁড়ায়, তাহলে বিশ হাতের দূরের খাদ্য, জল তাঁদের নিকট অস্পৃশ্য হয়ে যায়। জানি না হিন্দু শাস্ত্রের কোথায় এরূপ ব্যবস্থা বিধি-বিধান আছে।”

খুব সাদামাটাভাবে থাকতেন | বিজ্ঞান কলেজের যে ঘরে তিনি থাকতেন সেখানে ছিল খাট, একটা টেবিল,একটা সাধারণ চেয়ার ও একটা কমদামী কাঠের আলনা | নিজের জামাকাপড় নিজেই কাঁচতেন | নিজের রান্না নিজেই করতেন | নিজেকে দেওয়ার মতো সময় ছিল না তার। ভাবতেন দেশের জন্যে | চাঁপাকলা ভীষণ ভালোবাসতেন | এক পয়সায় দুটো চাঁপাকলা পাওয়া যেত। একদিন এক ছাত্র তার জন্যে তিন পয়সা দিয়ে দুটো কলা নিয়ে এসেছিলেন | তিনি ছাত্রকে বললেন, ‘নবাবি করতে শিখেছ, আমায় পথে বসাবে?’ এর কিছুক্ষন পরেই ড . প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষ তার কাছে এসেছিলেন কিছু সাহায্যের জন্যে | সঙ্গে সঙ্গে প্রফুল্লচন্দ্র রায় লিখে দিয়েছিলেন তিন হাজার টাকার চেক | এমনই ছিলেন তিনি |

আরো পড়ুন:  রোনাল্ড রসের আবিষ্কারের সমান ভাগীদার ছিলেন তিনি,তবুও নোবেল পেলেন না ‘নেটিভ’ কিশোরীমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়

একবার সাইমন কমিশনের সদস্যরা তার সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন | প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের ঘরে গিয়ে তারা দেখলেন ‘বিজ্ঞানীদের বিজ্ঞানী’ মারকিউরাস নাইট্রাইটের আবিষ্কারক স্টোভে নিজের রান্না চাপিয়ে গামছা পরে চেয়ারে বসে আছেন | হতবাক হয়েছিল সাইমন কমিশনের সদস্যরা | কিন্তু একটু লজ্জা না পেয়ে প্রফুল্লচন্দ্র রায় ওই অবস্থাতেই কথা বলেছিলেন সাইমন কমিশনের সদস্যদের সঙ্গে |

বাঙালি জাতি সম্পর্কে তার থেকে বেশি ধারণা কারও ছিল না | লিখেছিলেন, “বাঙালি আলস্যের নিদ্রায় সুখের স্বপ্ন দেখে , বুদ্ধির অহংকারে অন্ধ হইয়া জীবন সংগ্রামে ফাঁকি দেয় । ফলে বাঙালি সকল দিকের সকল ক্ষেত্র হইতে পরাজিত হইয়া পশ্চাদপদ হইতেছে !” অন্য এক লেখায় লিখেছেন – “মাড়োয়ারি , ভাটিয়া, দিল্লীওয়ালারা ব্যবসাবাণিজ্যের সকল ক্ষেত্র করতলগত করিতেছে , আর আমরা বাঙালিরা তাদের হিসাব লিখিয়া মাসমাহিনা লইয়া পরমানন্দে কলম পিষিতেছি । বাঙালি শ্রমজীবির দশাও কিছু ভাল নহে ।” তিনি বুঝেছিলেন, একটা সমগ্র জাতি শুধুমাত্র কেরানী বা মসীজীবী হয়ে টিকে থাকতে পারে না। বাঙালির চাকরিমুখী শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে বলেছেন, “এই শিক্ষাপ্রণালীর কোথাও একটা মস্ত গলদ রহিয়া গিয়াছে। কার্যক্ষেত্রে পাস করা বুদ্ধি প্রায়ই অকেজো হইয়া দাঁড়ায়।” মাত্র ৭০০ টাকা পুঁজি নিয়ে তৈরী করেছিলেন বেঙ্গল কেমিক্যালস | এটিই ছিল ওষুধ তৈরির প্রথম ভারতীয় কোম্পানি |

আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র সারাজীবন ভেবেছেন বাঙালি জাতির উন্নতির কথা। তিনি বিয়ে করেননি | উপার্জিত অর্থ ব্যয় করতেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণে, সেবাকার্যে | বাগেরহাটের পি.সি. কলেজ, সাতক্ষীরা চম্পাপুল স্কুল সহ ইত্যাদি একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তার অর্থসাহায্য তৈরী | খুলনার বি.এল কলেজ, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশালের অশ্বিনীকুমার ইনস্টিটিউশন সহ বহু কলেজের উন্নতির জন্যে অর্থ প্রদান করেছিলেন | গ্রামের ৪১টি সমবায় ঋণদান সমিতি নিয়ে গড়ে তোলেন অবিভক্ত বাংলার তৃতীয় বৃহত্তম ব্যাঙ্ক ‘রাড়ুলী সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক’।

৭০ তম জন্মজয়ন্তীতে কবিগুরু আচার্য প্রফুল্লচন্দ্রকে দিয়েছিলেন এক তাম্রফলক,তাতে লেখা ছিল -‘প্রেম রসায়নে ওগো সর্বজনপ্রিয়, করিলে বিশ্বের জনে আপন আত্মীয়।’ ১৯৪৪ সালের ১৬ জুন প্রয়াত হন আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায় | শেষ কয়েকবছর খুব অসুস্থ ছিলেন | হারিয়েছিলেন অসামান্য স্মৃতিশক্তি | বাঙালি জাতিকে স্বাবলম্বী হওয়ার পথ দেখিয়েছিলেন তিনি | চাকরির মায়া ত্যাগ করে হতে বলেছিলেন সাবলম্বী | আমরা কি চলতে পেরেছি তার দেখানো পথে ? উত্তরটা সকলেরই জানা !

-অভীক মণ্ডল

বাংলা আমার প্রাণ

বাংলা আমার প্রাণ

"বাংলা আমার প্রাণ" বাংলা ও বাঙালির রীতিনীতি,বিপ্লবকথা,লোকাচার,শিল্প ও যাবতীয় সব কিছুর তথ্য প্রকাশ করে।বাংলা ভাষায় বাংলার কথা বলে "বাংলা আমার প্রাণ"। সকল খবর ও তথ্য আপনাদের কেমন লাগছে,তা আপনাদের কতোটা মন ছুঁতে পারছে তা জানতে আমরা আগ্রহী।যাতে আগামী দিনে আপনাদের আরো তথ্য উপহার দিতে পারি। আপনাদের মতামত ওয়েবসাইটে প্রকাশ করুন,আরো এগিয়ে যাওয়ার পথে এটিই আমাদের পাথেয়। বিন্দু বিন্দুতে সিন্ধু গড়ে ওঠে।আর তাই আজ আপনাদের ভালোবাসা সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণায় আমরা এক বৃহৎ পরিবার।এখনো বহু পথ চলা বাকি তাই আপনাদের সাধ্য ও বিবেচনা অনুযায়ী অনুদান দিয়ে এই পেজের পাশে থাকুন। আমাদের পেজে প্রকাশিত সকল তথ্য আমরা একে একে নিয়ে আসছি আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে ভিডিও আকারে।দয়া করে আমাদের পেজ ও ওয়েবসাইট থেকে প্রকাশিত কোনো তথ্য বা লেখা নিয়ে কোনো ভিডিও বানাবেন না।যদি ইতিমধ্যে তা করে থাকেন তবে তা অবিলম্বে মুছে ফেলুন। আমাদের সকল কাজ DMCA কর্তৃক সংরক্ষিত তাই এ সকল তথ্যাদির পুনর্ব্যবহার বেআইনি ও কঠোর পদক্ষেপ সাপেক্ষ।ধন্যবাদ।

Related post

করোনাকে না করো

ভাইরাসের কবলে আজ সারা বিশ্ব,গৃহবন্দী বিশ্ববাসী।বন্ধ দ্বার খুলতে তাই নিজেদের সুরক্ষিত রাখুন,হাত ধুয়ে নেমে পড়ুন এই ভাইরাস দমনে।