প্রতি বছর নেতাজীর জন্মদিনে জনসাধারণের মধ্যে লাড্ডু বিতরণ করে বর্ধমানের “নেতাজী মিষ্টান্ন ভান্ডার”

প্রতি বছর নেতাজীর জন্মদিনে জনসাধারণের মধ্যে লাড্ডু বিতরণ করে বর্ধমানের “নেতাজী মিষ্টান্ন ভান্ডার”

বর্ধমানের বি. সি. রোড | সেখানেই রানীগঞ্জ বাজার | চারিদিকে হোলসেলার ওষুধের দোকান | আর এরই মাঝে আছে এক মিষ্টির দোকান | নাম “নেতাজী মিষ্টান্ন ভান্ডার” | আর পাঁচটা মিষ্টির দোকানের থেকে এই দোকান একদমই আলাদা | দোকানে শুধুই নেতাজীর ছবি | এই দোকানের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে নেতাজীর ইতিহাস | কি সেই ইতিহাস ? উত্তর জানতে ফিরে যেতে হবে প্রায় আশি বছর |

আরো পড়ুন:  পরিযায়ী শ্রমিকদের বাড়ি ফেরানোর দায়িত্বে ছিলেন, করোনায় শহীদ হুগলির ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট দেবদত্তা রায়

বর্ধমানের গোবিন্দচন্দ্র নাগ ছিলেন নেতাজী অনুরাগী | ১৯৪০ সালের ২৩ শে জানুয়ারী নেতাজীর জন্মদিনে তিনি চালু করেছিলেন তার মিষ্টির দোকান | নাম রেখেছিলেন নেতাজীর নামেই – নেতাজী মিষ্টান্ন ভান্ডার | তখন সুভাষচন্দ্র বসু ছিলেন কলকাতার মেয়র | সেই সময়েই চালু হয়েছিল বর্ধমান মিউনিসিপ্যালটি | সেই সম্পর্কিত ব্যাপারে সুভাষচন্দ্র বসু বর্ধমানে এসেছিলেন | তখন দোকানে ছিল খড়ের চাল | নেতাজী দোকানে এসেছিলেন | তারপর দোকানের সামনে দিয়ে বি.সি.রোড ধরে নিকটবর্তী এক ব্যাঙ্কে গিয়েছিলেন | গোবিন্দচন্দ্র নাগের সঙ্গে নেতাজীর ছবিও ফ্রেমে বাঁধানো রয়েছে দোকানে |

আরো পড়ুন:  সাংসদ হয়েছেন এগারো বার,লোকসভার ইতিহাসে সবচেয়ে বেশীবার সাংসদ হওয়ার রেকর্ড এই বঙ্গসন্তানের দখলে

প্রথম থেকেই এই দোকান থেকে ২৩ শে জানুয়ারী নেতাজীর জন্মদিনে জনসাধারণের মধ্যে লাড্ডু বিতরণ করা হয় | সেই পরম্পরা আজও চলছে | আজও প্রতি বছর নেতাজীর জন্মদিনে জনসাধারণের মধ্যে লাড্ডু বিতরণ করা হয় নেতাজী মিষ্টান্ন ভান্ডারের পক্ষ থেকে | এই দোকানের প্রতিটা কোনায় ছড়িয়ে আছে দেশনায়ক সুভাষচন্দ্র বসুর স্মৃতি | একবার ঘুরেই যান নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর স্মৃতিবিজড়িত এই দোকানে |

আরো পড়ুন:  সময়ে পৌঁছাতে পারেননি বীরেন্দ্রকৃষ্ণ,আকাশবাণীতে মহিষাসুরমর্দিনীর স্তোত্রপাঠ করলেন নাজির আহমেদ
Avik mondal

Avik mondal

Related post

Leave a Reply

করোনাকে না করো

ভাইরাসের কবলে আজ সারা বিশ্ব,গৃহবন্দী বিশ্ববাসী।বন্ধ দ্বার খুলতে তাই নিজেদের সুরক্ষিত রাখুন,হাত ধুয়ে নেমে পড়ুন এই ভাইরাস দমনে।