ভারতবর্ষে অস্থি সংক্রান্ত চিকিৎসায় এক্স-রশ্মির ব্যবহার প্রথম করেন নীলরতন সরকার

ভারতবর্ষে অস্থি সংক্রান্ত চিকিৎসায় এক্স-রশ্মির ব্যবহার প্রথম করেন নীলরতন সরকার

নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবার | বাবা একমাত্র রোজগেরে | নুন আনতে পান্তা ফুরায় | মায়ের জটিল অসুখ | খুলনার বাড়িতে বেশিদিন থাকা হল না ছেলেটির | ভাইবোনদের সঙ্গে মা কে নিয়ে পাড়ি দিলেন মামাবাড়িতে | ডায়মন্ডহারবারের নেত্রায় | মায়ের চিকিৎসা করানোর সামর্থ্য বিশেষ ছিল না | যে বাড়িতে লোকে খেতেই পায় না , সেই বাড়িতে সুচিকিৎসা করানো আকাশকুসুম স্বপ্ন | মায়ের যেটুকু চিকিৎসা হয়েছিল‚ ডাক্তার বদ্যি ধরতেই পারল না অসুখ | প্রায় বিনা চিকিৎসায় চলে গেল মা |

ছোট্ট ছেলেটি সেদিন ঠিক করেছিল এমন কিছু একটা তিনি করবেন যাতে গরীব মানুষের কাছে সুচিকিৎসা পৌঁছে যায়, বিনা চিকিৎসায় যেন কোনো গরীব মানুষের মৃত্যু না হয় | তিনি শপথ নিয়েছিলেন দারিদ্রকে হারানোর, দারিদ্র্য যাতে চারপাশের আর কারোর প্রান না নিতে পারে।

####

নেত্রায় যে মামাবাড়িতে জন্ম হয়েছিল ১৮৬১ সালের ১ অক্টোবর‚ সেটাই হয়ে গেল মাথা গোঁজার ঠাঁই | কিন্তু বিপত্তি সেখানেও | নদীর প্লাবনে তাঁদের বসতবাড়ি নদীগর্ভে চলে যায়। পরিবার স্থানান্তরিত হয় জয়নগরে | এই জয়নগরেই স্থানীয় বাংলা মাধ্যম স্কুলে ভর্তি হয় ছেলেটি | এন্ট্রান্স পাশ সেখান থেকেই | এরপর মেট্রোপলিটান কলেজ থেকে এলএ ও বিএ পাস করেন | কিছুদিন চাতরা হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক হিসাবে কার্যভার সামলালেন | কিন্তু চিকিৎসা শাস্ত্রে তাঁর অনুরাগ প্রবল | ১৮৮৫ সালে ভর্তি হন ক্যাম্পবেল মেডিক্যাল কলেজ | এক ব্রিটিশ সাহেব টের পেয়েছিলেন ছাই চাপা আগুনের আঁচ | বহন করেছিলেন ক্যাম্পবেল মেডিক্যাল কলেজে তাঁর পড়ার সব খরচ | ১৮৮৮ সালে এম বি ডিগ্রি‚ ১৮৯০ সালে এম ডি |

১৮৮৮ সালেই বিবাহ | ব্রাহ্মনেতা গিরীশচন্দ্র মজুমদারের মেয়ে নির্মলাকে | নিজেও গ্রহণ করেন ব্রাহ্ম ধর্ম | দুজনের পাঁচ কন্যা ও এক পুত্র |

###

মেডিক্যাল কলেজে থেকে এমবি হয়ে তিনি মেয়ো নেটিভ হাসপাতালে হাউস সার্জেনের পদে যোগ দেন। অল্পদিনের মধ্যেই চিকিৎসক হিসাবে সুখ্যাতি ছড়িয়ে পড়ল | তাঁর পারিশ্রমিক দুই টাকায় আরম্ভ হয়ে ধীরে ধীরে ৬৪ টাকা অবধি হল। তৎকালীন সময়ে যা কল্পনাতীত | দরিদ্র রোগীদের চিকিৎসা করতেন বিনা পয়সায় | বিনামূল্যে দিতেন ওষুধ ও খাবার | ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফেলো এবং তারপর ফ্যাকাল্টি অফ সায়েন্স ও ফ্যাকাল্টি অফ মেডিসিনের ডিন হন।

###

বাংলাকে অসম্ভব ভালোবাসতেন | ১৮৯৫ খ্রীষ্টাব্দে রাধাগোবিন্দ কর এবং সুরেশপ্রসাদ সর্বাধিকারীর সঙ্গে একযোগে বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। যা পরে কারমাইকেল কলেজ এবং বর্তমানে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ নামে খ্যাত হয়। তাঁর বহুমুখী প্রতিভার জন্য ১৯১৯ থেকে ১৯২১ সাল পর্যন্ত তাঁকে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য করা হয়। ১৯২০ সালে তাঁর ইমপিরিয়াল ইউনিভার্সিটি কমিশনে ভারতের প্রতিনিধত্ব করার সুযোগ পান। এসময়েই তিনি লন্ডন যাত্রা করেন। তাঁর যোগ্যতার পরিচয় পেয়ে অক্সফোর্ড ও কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ডিসি এল এবং ডি এল উপাধি দিয়ে সম্মানিত করেন। দেশে ফিরে তিনি দেশহিতকর কাজে মনোনিবেশ করেন। যাদবপুর যক্ষা হাসপাতাল যা পরে কুমুদশঙ্কর রায়ের নামে নামান্বিত হয়, তাঁরই উদ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়। জাতীয় শিক্ষা পরিষদের সম্পাদক হিসাবে তিনি কারিগরি বিদ্যাপ্রসারে সচেষ্ট হন। বেঙ্গল টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন । প্রতিষ্ঠা করেন ক্যালকাটা মেডিকেল ক্লাব |

আরো পড়ুন:  ৮০ বছরেরও বেশী সময় জুড়ে বঙ্গজীবনের অঙ্গ দুলালচন্দ্র ভড়ের তালমিছরি

###

তাঁর মূল গবেষণার বিষয় ছিল সিরোসিস অব লিভার ইন চিলড্রেন্স | এরজন্য তাঁকে মাতৃদুগ্ধ, গোদুগ্ধ এবং ছাগদুগ্ধের তুলনামূলক উপকারিতা-অপকারিতা নিয়ে গবেষণা করতে হয়। আবহাওয়ার তারতম্য বোঝানোর জন্য রোগীকে দার্জিলিঙের পাহাড়েও নিয়ে গিয়েছিলেন। তৎকালীন সময়ে এই রোগের প্রকোপ কমে গেলেও এই রোগের কারণে শিশুমৃত্যুর হার খুবই বেশি ছিল। তিনি উপযুক্ত খাদ্য এবং ওষুধের সাহায্যে এই সমস্যার অনেকটাই সমাধান করেন। গবেষণাপত্রটি প্রথম ভারতীয় মেডিক্যাল কংগ্রেসের ট্রান্সাকশনে প্রকাশিত হয়।

###

স্বদেশী শিল্প ছাড়া কোনও জাতি উন্নতি করতে পারে না এটা তিনি বুঝেছিলেন | তাই স্বদেশী শিল্প স্থাপনে দারুণ উদ্যোগী ছিলেন। তাঁর নিজস্ব প্রতিষ্ঠান ছিল ন্যাশনাল ট্যানারি। এছাড়া তিনি ন্যাশনাল সোপ কারখানার প্রতিষ্ঠাতাও ছিলেন। রাঙামাটি চা কোম্পানী যা পরে ইস্টার্ন টি কোম্পানি নামে পরিচিত হয়। তাও তাঁর অর্থ বিনিয়োগে গঠিত হয়। ১৯০৮ সালে তিনি লুট অ্যান্ড ইমপ্রুভমেণ্ট কোম্পানীর ডিরেক্টর নিযুক্ত হয়েছিলেন। তিনি আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের অভিন্নহৃদয় সুহৃদ ছিলেন |

বাংলার ছোটলাট লর্ড কারমাইকেলের দুরারোগ্য ব্যাধি সারিয়ে তোলার জন্য ব্রিটিশ সরকার তাঁকে নাইট উপাধিতে ভূষিত করেন। তিনি বসুবিজ্ঞান মন্দির, বিশ্বভারতী এবং ভারতীয় জাদুঘরের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য ছিলেন।

রাজনীতিতেও তাঁর অবদান কম নয়। ১৮৯০ সালে তিনি জাতীয় কংগ্রেসের যোগদান করেন এবং ১৯১৯ পর্যন্ত যুক্ত থাকেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর‚ মতিলাল নেহরু‚ মহাত্মা গান্ধী‚ দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস‚ নেতাজি সুভাষচন্দ্র বোস‚ জগদীশচন্দ্র বোসের মতো ব্যক্তিত্বের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন | ১৯১২-২৭ পর্যন্ত বঙ্গীয় ব্যবস্থাপক সংস্থার সদস্য ছিলেন। চিকিৎসক হিসেবে তিনি বিপুল অর্থ উপার্জন করেন। তাঁর বেশিরভাগটাই তিনি জনহিতকর কাজে ব্যয় করেন।

আরো পড়ুন:  ইনজেকশনে আর ব্যথা নয়,অভিনব আবিষ্কার বাঙালি গবেষকের

####

সমস্ত রোগের মূল সম্পর্কে তাঁর বক্তব্য ছিল-

“At the root of all evils lies our terrible ignorance-
ignorance of the origins nature symptoms and course of this disease. Ignorance of the method of treatment of this disease,ignorance of the measures to be adopted to check it spread.”

তাঁর ৬১ নম্বর রোডের বাড়িতেই ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরি তৈরি করেন। সেখানে সবরকমের রক্ত, মল, মূত্র, কফ এবং অন্যান্য দেহ-তরলের পরীক্ষা-নিরীক্ষা হতো। বিদেশ থেকে কার্ডিওগ্রাফ মেশিন আনান। সেইসঙ্গে একাধিক অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিও আমদানি করেন। এইভাবে অত্যন্ত আধুনিক পদ্ধতিতে তিনি চিকিৎসা করতেন।

তিনি ছিলেন একজন উঁচুমানের গবেষক আর শিক্ষক। ১৮৯৪ সালে ২৭শে নভেম্বর ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য কাল্টিভেশন অব সায়েন্স-এ জীববিদ্যা প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা হলে তিনি একটানা দুবছর বায়োকেমিষ্ট্রি বিষয়ে ক্লাস নিয়ে যান।

১৮৯৫ সালে রন্টজেন এক্স-রশ্মি যন্ত্র তৈরি করার পর সেই সংক্রান্ত তথ্যাদি জগদীশচন্দ্র বসু জেনে (কিন্তু যন্ত্রটি না-দেখেই) কয়েক মাসের মধ্যেই প্রেসিডেন্সি কলেজে একটি এক্স-রে রশ্মি যন্ত্র তৈরি করে ফেলেন। এই কাজে তাঁকে সাহায্য করেছিলেন ডা. নগেন্দ্রচন্দ্র নাগ। তিনি তখন প্রেসিডেন্সির রসায়ন বিভাগে ছিলেন। জগদীশচন্দ্রের তৈরি করা এই যন্ত্র তিনি অস্থি চিকিৎসার কাজে লাগান। অস্থি সংক্রান্ত চিকিৎসায় এক্স-রশ্মির ব্যবহার ভারতে তিনিই প্রথম করেন।

অ্যাপেন্ডিসাইটিস অপারেশনের জন্য কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্স অফ ওয়েলস সার্জিক্যাল ব্লকে ভর্তি হয়েছেন নামী হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডিপি বসু। কিন্তু কোনও অ্যানাস্থেটিস্ট তাঁকে অজ্ঞান করতে চাইছেন না। কারণ তাঁর সাইনাস অ্যারিদমিদিয়া রয়েছে। সে কালে হার্ট পরীক্ষার আধুনিক কোনও যন্ত্রপাতি ছিল না। চিকিৎসকের ‘ক্লিনিক্যাল আই’টুকুই ভরসা। কেউ ঝুঁকি নিতে চাইলেন না। দিশেহারা অবস্থা রোগী আর তাঁর পরিজনদের। ডিপি বসুর বাবাও ছিলেন প্রখ্যাত চিকিৎসক ইউপি বসু। তিনি শেষে শরণাপন্ন হলেন বন্ধুবর চিকিৎসকের, যাঁকে লোকে ‘ধন্বন্তরী’ বলেন। তিনি এসেই ডিপি বসুকে জিজ্ঞেস করলেন, খেলাধুলো করেন কি না। ফুটবল খেলেন শুনে পরপর আবার কয়েকটি প্রশ্ন। কোন পজ়িশনে খেলেন? ক্লান্ত লাগে? হাফটাইমের পরেও খেলেন? ফরোয়ার্ডে খেলেন, ক্লান্ত হন না এবং হাফটাইমের পরেও খেলেন শুনে, সেই ডাক্তারবাবু নির্দ্বিধায় রায় দিলেন, ‘‘হার্টের অর্গ্যানিক কোনও রোগ নেই। স্বচ্ছন্দে অপারেশন করা যায়।’’ অস্ত্রোপচার সফল হয়। স্মৃতিচারণায় ওই ঘটনার কথা লিখেছিলেন ডিপি বসু।

আরো পড়ুন:  দীর্ঘক্ষণ মাস্ক ব্যবহার করলেও কানে ব্যথা হবে না,যন্ত্রাংশ আবিষ্কার করে জাতীয় পুরস্কার বর্ধমানের স্কুলছাত্রীর

সে যুগে সাহেব ডাক্তারদের প্রবল প্রতাপে দেশীয় চিকিৎসকেরা কুঁকড়ে থাকতেন। দেশীয় চিকিৎসকদের ভিজ়িট ছিল ২ টাকা, ৪ টাকা, ৮ টাকার মধ্যে। অন্য দিকে সাহেব ডাক্তারেরা ১৬ টাকা, ৩২ টাকা, ৬৪ টাকা ভিজ়িট নিতেন। কিন্তু প্রবল স্বদেশি জাত্যাভিমান দাপুটে বাঙালি চিকিৎসকের রক্তে। চ্যালেঞ্জটা ছুড়ে দিলেন তিনিই। দেশীয় চিকিৎসক হয়েও প্রথম ১৬ টাকা ভিজ়িটে প্রাইভেট প্র্যাকটিস শুরু করলেন। ব্রিটিশদের চোখ কপালে উঠল। সেই ভিজ়িট ক্রমে ৬৪ টাকায় পৌঁছেছিল!

দু’হাতে বিপুল রোজগার করেছেন আবার স্বদেশি শিল্প গড়তে গিয়ে এক সময়ে প্রায় সর্বস্বান্ত হয়েছেন। তাতে বিন্দুমাত্র দমে না গিয়ে মন্তব্য করেছেন, ‘‘কলকাতায় ২০ টাকায় ভাড়ার ঘর পাওয়া যায়। তাতেই আমার চলে যাবে।’’ কখনও গরিব রোগীকে অর্থাভাবে চিকিৎসায় প্রত্যাখ্যাত হয়ে তাঁর দরজা থেকে ফিরতে হয়নি। পথ থেকে তুলে এনে বহু মানুষকে নিজের ৭ নম্বর শর্ট স্ট্রিটের বাড়িতে রেখে বিনা পয়সায় চিকিৎসা করেছেন। নিজের ৭ নম্বর শর্ট স্ট্রিটের বাড়িতে একটা ছোট্ট ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরি করেছিলেন। জুনিয়র ডাক্তারদের সেখানে কাজ করার পরামর্শ দিতেন। অনেক কষ্টে বহু দামি যন্ত্রপাতি কিনেছিলেন। দেশি-বিদেশি মেডিক্যাল জার্নাল রাখতেন, যাতে ছাত্ররা পড়তে পারে। ‘ইলেকট্রোকার্ডিয়োগ্রাফ’ যন্ত্র ভারতে প্রথম তিনিই ওই বাড়িতে বসিয়েছিলেন।

####

নীলরতন সরকার | বাংলা ও বাঙালির গর্ব | বিখ্যাত শিশুসাহিত্যিক যোগীন্দ্রনাথ সরকার ছিলেন নীলরতন সরকারের দাদা ।দেশের স্বাধীনতা অবশ্য দেখে যেতে পারেননি | ১৯৪৩ সালের ১৮ মে প্রয়াত হন ৮১ বছর বয়সে | তাঁকে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করে ক্যাম্পবেল মেডিক্যাল কলেজের নতুন নামকরণ হয় নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল | বাংলার ইতিহাসে এমন মানুষ যথেষ্ট দুর্লভ। তাঁকে আমাদের প্রণাম ও শ্রদ্ধার্ঘ্য |

লেখক- অভীক মণ্ডল
তথ্যসূত্র- উইকিপিডিয়া , Jessore ইনফো ব্লগ

বাংলা আমার প্রাণ

বাংলা আমার প্রাণ

"বাংলা আমার প্রাণ" বাংলা ও বাঙালির রীতিনীতি,বিপ্লবকথা,লোকাচার,শিল্প ও যাবতীয় সব কিছুর তথ্য প্রকাশ করে।বাংলা ভাষায় বাংলার কথা বলে "বাংলা আমার প্রাণ"। সকল খবর ও তথ্য আপনাদের কেমন লাগছে,তা আপনাদের কতোটা মন ছুঁতে পারছে তা জানতে আমরা আগ্রহী।যাতে আগামী দিনে আপনাদের আরো তথ্য উপহার দিতে পারি। আপনাদের মতামত ওয়েবসাইটে প্রকাশ করুন,আরো এগিয়ে যাওয়ার পথে এটিই আমাদের পাথেয়। বিন্দু বিন্দুতে সিন্ধু গড়ে ওঠে।আর তাই আজ আপনাদের ভালোবাসা সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণায় আমরা এক বৃহৎ পরিবার।এখনো বহু পথ চলা বাকি তাই আপনাদের সাধ্য ও বিবেচনা অনুযায়ী অনুদান দিয়ে এই পেজের পাশে থাকুন। আমাদের পেজে প্রকাশিত সকল তথ্য আমরা একে একে নিয়ে আসছি আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে ভিডিও আকারে।দয়া করে আমাদের পেজ ও ওয়েবসাইট থেকে প্রকাশিত কোনো তথ্য বা লেখা নিয়ে কোনো ভিডিও বানাবেন না।যদি ইতিমধ্যে তা করে থাকেন তবে তা অবিলম্বে মুছে ফেলুন। আমাদের সকল কাজ DMCA কর্তৃক সংরক্ষিত তাই এ সকল তথ্যাদির পুনর্ব্যবহার বেআইনি ও কঠোর পদক্ষেপ সাপেক্ষ।ধন্যবাদ।

Related post

করোনাকে না করো

ভাইরাসের কবলে আজ সারা বিশ্ব,গৃহবন্দী বিশ্ববাসী।বন্ধ দ্বার খুলতে তাই নিজেদের সুরক্ষিত রাখুন,হাত ধুয়ে নেমে পড়ুন এই ভাইরাস দমনে।